দূরন্ত বিডি ডটকম -----------স্বাগতম ২০২৫------------মানবতার কথা বলে ---------- durontobd.com--------ফ্যাসিবাদ মুক্ত বাংলাদেশ চাই, “জুলাই” মনে রেখে ভোটের নিশ্চয়তা চাই, অর্থনৈতিক মুক্তি চাই। কেরানীগঞ্জে আওয়ামী লীগ-বিএনপি সংঘর্ষ, নিপুণসহ আহত ৩০ - Durontobd

সংবাদ শিরোনাম

.jpg

Friday, May 26, 2023

কেরানীগঞ্জে আওয়ামী লীগ-বিএনপি সংঘর্ষ, নিপুণসহ আহত ৩০

রাজনীতি প্রতিবেদক :
ঢাকা জেলা বিএনপির জনসমাবেশকে কেন্দ্র করে কেরানীগঞ্জের জিনজিরায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিপুণ রায়সহ উভয়পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

শুক্রবার (২৬ মে) বেলা ১১টার দিকে জিনজিরা বাস রোডে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতা-কর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। নিপুণ রায়কে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে।
 

পুলিশ জানিয়েছে, বিএনপির কিছু উত্তেজিত নেতা-কর্মী দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে। 


তবে পরিকল্পিতভাবে হামলার অভিযোগ আওয়ামী লীগের। আর বিএনপি নেতারা বলেন, হামলা ও ভাঙচুরের বৈশিষ্ট্য আওয়ামী লীগের।
  

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ম. ই. মামুন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, নিপুণ রায়ের নেতৃত্বে আমাদের পার্টি অফিসে হামলা হয়েছে। আজকে ঢাকাসহ দেশব্যাপী বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ ছিল। কেরানীগঞ্জে সমাবেশে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও রুহুল কবির রিজভীসহ বিএনপির আরও নেতা-কর্মীরা ছিলেন। সভা শেষ করে যাওয়ার সময় পথে আমাদের পার্টি অফিসে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকেন তারা। এক পর্যায়ে আমাদের পার্টি অফিসে ঢুকে আমাদের লোকদের ওপর হামলা করেন। এ ঘটনার ভিডিও ফুটেজও আছে আমার কাছে। সেখানে দেখা যায় নিপুণ রায় ইটপাটকেল ছুড়ে শাড়ি উঁচিয়ে দৌড়াচ্ছেন।


তিনি বলেন, আমাদের প্রায় ১৫ জনের মতো নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৪ থেকে ৫ জন হাসপাতালে ভর্তি আছেন। সবচেয়ে বেশি আহত হয়েছেন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আজাহার বাঙালি।


দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোজাদ্দেদ আলী বাবু সংবাদমাধ্যমকে বলেন, বিএনপির সমাবেশ চলাকালে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা ইটপাটকেল ছুড়তে শুরু করে। এ সময় ইটের আঘাতে নিপুণ রায় চৌধুরীসহ বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মী আহত হন।


তবে ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলাম জানান, বিএনপির সমাবেশে কোনো বাধা দেয়া হয়নি। তাদের কিছু কর্মী বিশৃঙ্খলা করেছে।

এ ঘটনার পর ওই এলাকায় অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।