দূরন্ত বিডি ডটকম -----------স্বাগতম ২০২৫------------মানবতার কথা বলে ---------- durontobd.com--------ফ্যাসিবাদ মুক্ত বাংলাদেশ চাই, “জুলাই” মনে রেখে ভোটের নিশ্চয়তা চাই, অর্থনৈতিক মুক্তি চাই। ‘নৌকায় ভোট দিলেই’ সেই ৪৯২ কার্ড ফেরত দেবেন ইউপি চেয়ারম্যান - Durontobd

সংবাদ শিরোনাম

.jpg

Wednesday, December 13, 2023

‘নৌকায় ভোট দিলেই’ সেই ৪৯২ কার্ড ফেরত দেবেন ইউপি চেয়ারম্যান


রাজনীতি প্রতিবেদক :

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-২ আসনে নৌকার ভোট নিশ্চিত করতে ৪৯২ জন উপকারভোগীর খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির কার্ড ফেরত নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। ইউপি সদস্যদের মাধ্যমে কার্ডগুলো নিজের কাছে রেখে দেন নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার অম্বরনগর ইউনিয়ন পরিষদের 


চেয়ারম্যান আক্তার হোসেন দুলু। এ অভিযোগের বিষয়টি স্বীকারও করেছেন চেয়ারম্যান নিজে।এ ঘটনায় মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) বিকেলে আসনটির স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমান ভূঁইয়া জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।


খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-২ আসনে সেনবাগের ৯টি ইউনিয়ন ছাড়াও পাশ্ববর্তী সোনাইমুড়ী উপজেলার বজরা, অম্বরনগর, বারোগাঁও ও নাটেশ্বর ইউনিয়ন অন্তর্ভুক্ত। 


আসনটিতে আওয়ামী লীগসহ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাত প্রার্থী। নির্বাচন ঘিরে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর ভোট নিশ্চিত করতে আসনটির সোনাইমুড়ী উপজেলা অম্বরনগর ইউনিয়ন পরিষদের 


চেয়ারম্যান আক্তার হোসেন দুলু তার ৯টি ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ৪৯২টি কার্ড নিজের কাছে রেখে দেন।

 

কার্ডের সুবিধাভোগী হারুন অর রশিদ, আবদুল করিম ও আবুল হাশেমসহ কয়েকজন বলেন, মেম্বাররা এসে আমাদের কাছে খাদ্যের কার্ড চেয়েছিলেন। বললেন চেয়ারম্যান নিতে বলেছেন, কার্ড চাল আসা 


পর্যন্ত চেয়ারম্যানের কাছে জমা থাকবে। এ ছাড়া আমাদের আর কিছু বলেননি তারা। এ বিষয়ে জানতে চাইলে চেয়ারম্যান আক্তার হোসেন দুলু বলেন, আমি নিজেই মেম্বারদের মাধ্যমে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির 


৪৯২টি কার্ড জমা নিয়েছি। এ কার্ডধারী সবাই শেখ হাসিনার দেয়া ১০ টাকা মূল্যের ৩০ কেজি করে চাল পেয়ে থাকেন। গত সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে তারা চাল পেয়েছিলেন। এপ্রিল ও মে মাসে আবারও পাবেন।


চেয়ারম্যান আরও বলেন, যেহেতু তারা সরকারের সুবিধা গ্রহণ করে, সেহেতু তাদের সরকারের মার্কা নৌকায় ভোট দিতে হবে। নৌকার প্রার্থীকে জয়ী করতে আমরা সংসদ সদস্যের সঙ্গে সভা করেছি। 


প্রতিটি ওয়ার্ড ভিত্তিক আমরা কার্ডসুবিধা পাওয়া ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক করব এবং যারা নৌকার প্রার্থীকে ভোট দেবেন বলে কথা দেবে আমরা তাদের কার্ড ফিরিয়ে দেব। এ সব বিষয় সংসদ সদস্য জানেন।

 

জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা দেওয়ান মাহবুবুর রহমান বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থীর এমন কোনো অভিযোগ এখনও আমি পাইনি। তবে একজন চেয়ারম্যান এভাবে সরকারি সুবিধাভোগী কারও কার্ড জব্দ করতে পারেন না। বিষয়টির খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।