খেলা প্রতিবেদক:
ফুরফুরে মেজাজে অতিথি দল ইংল্যান্ড, হবারই তো কথা। ২-০ ব্যবধানে সিরিজ পকেটে ভরে হোয়াইটওয়াশের মিশন নিয়ে চট্টগ্রামে পা রেখেছে ইংরেজরা।
তবে কি বাংলাদেশ আগের ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে যেভাবে হেরেছে সে গল্পটা মাথায় রেখে পরিকল্পনা সাজিয়েছে ইংরেজরা!
বিকেলে সাগরিকার উইকেটে অনুশীলনের নামে মজা করতেই যেন হাজির হলো ইংল্যান্ডের ক্রিকেট দল। তাদের হাবভাব দেখেই বোঝা গেল তারা কালকের ম্যাচ নিয়ে ভাবছে না। কিন্তু আনুষ্ঠানিকতা বলে একটা বিষয় আছে, সেটা মানতেই যেন অতিথি দল মাঠে এসেছে।
তেমনি নিয়ম মানতেই মার্ক উড উপস্থিত হলেন সংবাদ সম্মেলনে। শুরুতেই তাকে সাগরিকার উইকেটে নিয়ে প্রশ্ন শুনতে হলো, চট্টগ্রামের পিচ সাহায্য করে? এই৷ উইকেট কি তাদের জন্য আদর্শ বলে মনে করেছে?
জবাবে মার্ক উড সাংবাদিকদের বলেন,'না, সত্যিই না. আমাদের অপেক্ষা করতে হবে এবং দেখতে হবে এই উইকেটটি কীভাবে খেলে এবং এর সাথে মানিয়ে নেয়া যায়। মিরপুরের উইকেট কিছুটা শক্ত, কিছুটা নরম মনে হয়েছিল। তাই হয়তো সিম বোলারদের জন্য উইকেট সহজ ছিল।
ভারতীয় পিচ প্রসঙ্গে বলেন, একটি টার্নিং পিচ হলে আমরা মানিয়ে নিতে পারি। আমরা ভারতের এমন উইকেটে খেলেছি যেগুলো চট্টগ্রামের উইকেটের মতোই। আমরা শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ জিততে চেষ্টা করতে যাচ্ছি। আমাদের ব্যাটিং ইউনিট উত্তেজিত।
মিরপুরের বোলিং উইকেট নিয়ে উড বলেন, বোলিং উইকেট হিসেবে আমরা সবসময় উইকেট নেওয়ার চেষ্টা করি। একটি সীম-বোলিং ইউনিট হিসাবে, আমরা অনুভব করেছি যে আমরা প্রথম খেলায় খুব ধীরে ধীরে শুরু করেছি। পরে মানিয়ে নিয়েছি।'
শেষ দিকে উড বলেন, 'বাংলাদেশকে তাদের নিজেদের কন্ডিশনে হারানো খুব কঠিন। কিন্তু আমাদের একটি দল আছে যারা ভালোভাবে তৈরি। দ্রুত বোলার, সীম বোলার, সুইং বোলার। এবং আমাদেরও মারাত্মক স্পিনার আছে। তারা সত্যিই, সত্যিই ভাল বোলিং করেছে। তবে তাসকিন শক্তিশালী পেসার। তিনি সবাইকে মুগ্ধ করেছেন, শুধু আমাকে নয়। পুরো দলই বলেছে সে কতটা ভালো বোলিং করেছে। সে দ্রুত বোলিং করছে, ভালো লেন্থে আঘাত করছে। আমার মনে হয় প্রথম খেলায় সে আমাদের সীম-বোলিং গ্রুপকে দেখিয়েছিল যে কোথায় বল করতে হবে। আমরা তার পারফরম্যান্স থেকে অনেক কিছু নি শিখেছি। তিনি আমাদের চাপে রেখেছিলেন। এটা শুধু যে তিনি উইকেট নিচ্ছিলেন তা নয়, তিনি বোলিংটিকে শক্ত করে রেখেছিলেন। তিনি দুর্দান্ত পেসার।'
